Thursday, July 23, 2026
Latestসম্পাদকীয়

প্রশ্ন ফাঁস কিভাবে সম্পূর্ণ আটকানো যায়?

কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: কম্পিউটার এডোপশন পদ্ধতি একমাত্র রাস্তা। আজকের JEE MAINS বা ADV ও পুরোপুরি কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস থেকে বাঁচতে পারে না। যদিও কম্পিউটারে তাঁদের পরীক্ষা হয়। JEE তে প্রতিদিন আলাদা প্রশ্ন হয়। প্রতিদিন আলাদা রাঙ্কিং। তারপরে এগুলো মিশিয়ে দেয়া হয়। এখানে একটা সেটের প্রশ্ন যদি ফাঁস হয়, সেটা কিনে লাভ না হবার সম্ভবনাই বেশী। ফলে কেউ সেটা কিনবে না‌।

কিন্তু এখানে একটা ঝুকি আছে। ধরুন কেউ কেমিস্ট্রিতে খারাপ। সে যেদিন বসলো সেদিন কেমিস্ট্রি প্রশ্ন খুব কঠিন এলে তার লাভ, অংক বা ফিজিক্স কঠিন এলে সে প্রতিযোগিতা থেকে আউট। এখানে সে কোন দিন পরীক্ষা দিতে বসছে তার উপর ভাগ্য নির্ভর করছে। UPSC র ব্যাবস্থা তো আরও খারাপ আমাদের দেশে। বামপন্থীদের সুবিধার জন্যে সোসিওলজি প্রশ্ন সোজা করা হয় গত ৬০ বছর। অথচ একই পরীক্ষা পদ্ধতি সিস্টেমে নেতিবাচক লোকজনকে ভর্তি করার জন্যে।

এখানে কম্পিউটার এডপশন এমন পদ্ধতি যা GRE GMAT ইত্যাদি পরীক্ষায় বহুদিন আগে থেকে প্রয়োগ হচ্ছে। এখানে পদ্ধতি টা হল ০ থেকে ৫০ সোজা পারলে একটু কঠিন প্রশ্ন আসবে ৫০-৬০ এর জন্যে। ৫০-৬০ এর দুটি অংক পার্কে ৬০-৭০ লেভেলে, না পারলে আবার ০-৫০ ফিরে আসো। কয়েক হাজার প্রশ্ন থাকে। যে কোন প্রশ্ন আসতে পারে ঐ লেভেলের। JEE ADV এ হয়তো ২০২৮ এ প্রথমবার এই পদ্ধতি শুরু হবে।

আজ আরশোলারা যখন আন্দোলন করছে আমরা পাল্টা ২০০৪-২০১৪ তালিকা ধরাচ্ছি। কিন্তু যতদিন পুরোপুরি কম্পিউটার বেসড এবং সঙ্গে এডোপশন পদ্ধতি না আসবে প্রশ্ন লিক কিন্তু হবেই। আমরা যদি ধরে নি প্রশ্নকর্তা, ছাপানোর প্রেস বা যারা সেই প্রশ্ন বিভিন্ন স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে তারা সবাই ১০০% সৎ হবে ভুল করছি। ২০০২ এ আমি যখন GRE দি তখন ওরা এই পদ্ধতি ব্যাবহার করতো। অথচ আমরা আজও করতে পারলাম না? বাধা করা? 

অবশ্যই আমলারা। রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমলা নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বাধীন সমীক্ষা করতে হবে। কমকরে পলিসি তৈরির ব্যাপারে।

(লিখেছেন: সুদীপ্ত গুহ)