Saturday, April 13, 2024
দেশ

২৪ বছরে ৭ বিয়ে, সাসপেন্ড পুলিশ কনস্টেবল

মুম্বাই: একটা কিংবা দুইটা নয়, ৭ সাতটা বিয়ে করেও তিন দশক গোপন রেখেছিলেন পুলিশের এক কনস্টেবল। দিব্যি তিনি ভালই ছিলেন। কিন্তু শেষে স্ত্রীর অভিযোগেই চাকরি গেল, বরখাস্ত হতে হলো তার কর্মস্থল থেকে। মুম্বাই পুলিশের এই কীর্তিমান পুলিশ কনস্টেবলের নাম সূর্যকান্ত কদম।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সোমবার সূর্যকান্তের ৭টি বিয়ের খবর সবার সামনে আসে। স্ত্রীরা কদমের অন্য বিয়ের খবরও জানতে পেরেছিলেন। মধ্যবয়সী কদমের কীর্তি সামনে আনেন স্ত্রীদের মধ্যে একজন। ভারতের বিভিন্ন জেলায় বিয়ে করে স্ত্রীদের রেখে দিয়েছিলেন কদম।

মুম্বাইয়ের কল্যাণ এলাকায় মানপাড়া থানায় দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করেন সূর্যকান্ত। তার এমন কীর্তি এতোদিন ঘুণাক্ষরেও টের পাননি সহকর্মীরা। কিছুদিন আগে প্রচিতা থানায় এসে নিজেকে কদমের স্ত্রী বলে দাবি করেন। এ সময় তিনি ‘স্বামী’র বিরুদ্ধে বহুবিবাহের অভিযোগ আনেন।

প্রচিতার দাবি, ১৯৮৬ সালে প্রথম বিয়ে হয় কদমের। এরপর ১৯৯১ সালে তার সঙ্গে আলাপ হয় পেশায় নার্স প্রচিতার। ওই সময় ওই পুলিশ কনস্টেবল নিজেকে ডিভোর্সি হিসেবে পরিচয় দেন। প্রচিতাও ডিভোর্সি ছিলেন। এরপর দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে ও ১৯৯২ সালে বিয়ে হয়। দুই সন্তানও রয়েছে তাদের।

পড়শি সূত্রের খবর, গত ২৮ বছর ধরে সাতজন নারীকে বিয়ে করেছেন কদম। শেষ বিয়ে করেছেন ২০১৪ সালে। প্রথম বিয়ে করেন ১৯৮৬ সালে। তারপরে ১৯৯২, ১৯৯৩, ১৯৯৫, ১৯৯৮, ২০০৭ ও ২০১৪ সালে শেষবারের মত বিয়ের পিঁড়িতে বসেন কদম। নারীরা সকলেই থানে ও তার আশপাশের এলাকার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।

পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইতিমধ্যে সূর্যকান্ত কদম নামে পুলিশ কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এবং বিভাগীয় তদন্তের পর দোষী সাব্যস্ত হলে কদমের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হবে।

এতবছর ধরে এতগুলি বিয়ে করার পরও কীভাবে এতদিন তা গোপন রেখে দিতে পেরেছিলেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।