Thursday, June 13, 2024
আন্তর্জাতিক

এক নজরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সামরিক শক্তি

গত ছ’দিন ধরে চলছে ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল সংঘাত। গত সাত বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ। চলতে থাকা এই লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত ১৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ৮ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে চলুন দেখে নেওয়া যাক ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সামরিক শক্তি-

পরমাণু অস্ত্রসমৃদ্ধ বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সেনাবাহিনী রয়েছে ইসরায়েলের। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনিদের নিজস্ব কোনও রাষ্ট্র কিংবা নিয়মিত সেনাবাহিনী নেই। এমনকি দখলদারদের প্রতিরোধ করে নিজেদের আত্মরক্ষার মতো যথেষ্ট সামারিক সক্ষমতাও নেই তাদের। তাই যদি ইসরায়েল-ফিলিস্তানের মধ্যে পুরোদমে যুদ্ধ বেধে যায়, তবে তা একপাক্ষিক হবে। সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতায় ইসরায়েল ফিলিস্তানের থেকে অনেক অনেক বেশি এগিয়ে।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী:
সক্রিয় সেনা সদস্য: এক লাখ ৭০ হাজার।
প্রশিক্ষিত জনসংখ্যা: ৩০ লাখ।
সেনাবাহিনীর বাজেট: ২০ বিলিয়ন ডলার।

ফিলিস্তিনের সামরিক বাহিনী:
নিয়মিত কোনও সেনাবাহিনী নেই। বিভিন্ন গ্রুপ মিলে ৩০ থেকে ৫০ হাজার সদস্য রয়েছে।
এর মধ্যে হামাসের ১০ থেকে ২০ হাজার। কাসেম ব্রিগেডের সাত থেকে ১০ হাজার সদস্য রয়েছে।
ইসলামি জিহাদের ৯ থেকে ১০ হাজার। পিএলও ৮৩ হাজার।

ইসরায়েলের অস্ত্র:
অস্ত্রের নিজস্ব কারখানা রয়েছে। বিদেশেও রপ্তানি করে। ৯০টি গোপন পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। যুদ্ধবিমান ৬৮৪টি। বিমান বাহিনী ৩৪ হাজার, নৌবাহিনী ১০ হাজার, যুদ্ধ জাহার ৪টি। ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বোট ৮টি। সাবমেরিন ৫টি। প্যাট্রোল বোট ৪৫টি। সাপোর্ট শিপ ২টি।

অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যা পার্শ্ববর্তী দেশ মিসর, সিরিয়া ও ইরানে হামলা করতে সক্ষম। এক হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার কিমি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রোড ডোম। রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে অস্ত্র রফতানি করে ইসরায়েল।

হামাসের অস্ত্র:
১০০ থেকে ১৬০ কিমি রেঞ্জের কয়েক ডজন রকেট রয়েছে। ৭০-৮০ কি.মি রেঞ্জের কিছু রকেট রয়েছে। নতুন উদ্ভাবিত একটি রকেটের পাল্লা আড়াইশ কিলোমিটার বলে জানিয়েছে হামাস।

ইসলামিক জিহাদ:
১০০ কিমি রেঞ্জের কয়েকটি রকেট রয়েছে। কিছু মাঝ ধরার নৌকা রয়েছে।