Sanae Takaichi : জাপানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: ইতিহাস গড়ল জাপান। প্রথমবারের মতো দেশটির সর্বোচ্চ পদে বসলেন এক মহিলা—সানায়ে তাকাইচি। ৬৪ বছর বয়সী এই রাজনীতিক মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জাপানের রাজনীতিতে শুরু হল এক নতুন অধ্যায়।
তাকাইচি জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) কট্টরপন্থী শাখার প্রভাবশালী মুখ। তিনি প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত। সংসদে তাঁর জয় ঘোষণার পর সহকর্মী সদস্যরা অভিনন্দন জানান।
রাজনীতির ময়দানে তাকাইচি দীর্ঘদিন ধরেই জাপানের ‘আয়রন লেডি’ নামে পরিচিত। যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের আদর্শে অনুপ্রাণিত তিনি। অর্থনৈতিক সংস্কার, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা নীতি এবং রক্ষণশীল মূল্যবোধে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তাকাইচি বলেন, “জাপানের জনগণের প্রতি আমার অঙ্গীকার—অর্থনীতিকে চাঙা করা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করা এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষা করা।”
নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচির সামনে বিশ্ববাজারে মন্দা অর্থনীতির প্রভাব, মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা করাই চ্যালেঞ্জের। তাঁর কাছে মার্কিন-জাপান সম্পর্ক উন্নতি করাও অগ্রাধিকার। সেই সঙ্গে বিভক্ত শাসক দল এলডিপিকে ঐক্যবদ্ধ করাও হবে একটি বড় পরীক্ষা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তাকাইচির নির্বাচনের মাধ্যমে জাপানের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হল, যেখানে নারী নেতৃত্ব আর ব্যতিক্রম নয়, বরং সম্ভাবনার নতুন প্রতীক।


