Saturday, June 15, 2024
দেশ

১০ দিনের লড়াই শেষে মৃত্যু, দেহরক্ষীর গুলিতে মৃত ছেলের অঙ্গদান করলেন বিচারক

গুরুগ্রাম: দীর্ঘ ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মৃত্যু হল বিচারক পুত্রর। গত ১৩ অক্টোবর গুরুগ্রামে দেহরক্ষীর ছোড়া গুলিতে জখম হয়ে মারা যান বিচারকের স্ত্রী। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল বিচারকের ছেলে ধ্রুব। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে মারা গেলেন গুরুগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারকের ছেলেও। পরিবার হারানোর শোকের মধ্যেও অঙ্গদান করে নজির গড়লেন ওই বিচারক। ব্রেন ডেথ হওয়া ছেলের লিভার, কিডনি এবং হার্ট হাসপাতালে দান করলেন তিনি।

দেহরক্ষী মহিপালের গুলিতে জখম হয়ে হরিয়ানার বিচারক কিষান কান্ত শর্মার স্ত্রী ঋতু শর্মা (৩৮) ও তাঁর ছেলে ধ্রু (১৮)। স্ত্রী মারা গিয়েছেন আগেই। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের তরফে ছেলে ধ্রুর মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

গত ১৩ অক্টোবর গুরুগ্রামের সেক্টর ৪৯-এর আর্কেডিয়া মার্কেটে কেনাকাটা করতে গেছিলেন হরিয়ানার বিচারক কিষান কান্ত শর্মার স্ত্রী ঋতু ও ছেলে ধ্রুব। মহিপালই তাঁদের ব্যক্তিগত গাড়িটির চালকের দায়িত্বে ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, মহিপাল মার্কেটের সামনে প্রথমে রিতু ও পরে ব্রুবকে গুলি করেন। পরে নিজেই তাঁদের প্রাইভেটকারে তোলার চেষ্টা করেন। তবে মহিপাল তাতে ব্যর্থ হয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান।

মহিপাল পালিয়ে গেলেও পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে জেলে রয়েছে মহিপাল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিচারকের পরিবারের অভব্য আচরণের জন্যই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে মহিপাল। মহিপাল হরিয়ানার মহেন্দ্রগড়ের বাসিন্দা। সে দু’বছর ধরে ওই বিচারকের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করছে। তার স্ত্রী শিক্ষিকা। দুই সন্তান আছে তাদের। একজনের বয়স সাত, অন্যজনের তিন।