Thursday, June 13, 2024
আন্তর্জাতিক

অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। সংঘাত ও সশস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (এসআইপিআরই) এর সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিশ্বে রপ্তানিকৃত অস্ত্রের ৩৪ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র প্রস্তুতকারক করপোরেশনগুলোও বিপুল অর্থ আয় করছে।

অস্ত্র বিক্রির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিগত ওবামা প্রশাসনের ধারাবাহিকতায় অস্ত্র রপ্তানিকে আরও গতিশীল করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিবর্তন এসেছেন বিক্রির ধরনেও। ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র বহুদিন রপ্তানিতে এ শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে বলে আভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

এসআইপিআরই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র প্রস্তুতকারক করপোরেশনগুলোও বিপুল অর্থ আয় করছে। পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর তালিকায় ২০১৬ সালে শীর্ষ অস্ত্র বিক্রেতা কোম্পানির স্থানটি অর্জন করেছে স্টকস ফর লকহিড মার্টিন। ২০১৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েছে। পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্টকস ফর বোয়িং কোম্পানিটি। ২০১৩ সাল থেকে এ কোম্পানিরও অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে।

‘সিকিউরিটি অ্যাসিসটেন্স মনিটর’ শীর্ষক কর্মসূচির পরিসংখ্যান বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের প্রথম বছরে ৫৭০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রি হয়েছে। এ হার ২০১৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার ক্ষমতার শেষ বছরে যে পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি করেছেন তার চেয়েও বেশি। দুই প্রশাসনের মেয়াদেই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির মধ্য দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

আর্মস অ্যান্ড মিলিটারি এক্সপেন্ডিচার প্রোগ্রামের পরিচালক ড. অডে ফ্লিউর‌্যান্ট জানান, ওবামার আগে যেসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সেগুলো থেকে দেখা যায়, ১৯৯০ সালের পর ২০১৩-১৭ মেয়াদেই যুক্তরাষ্ট্রর অস্ত্র রপ্তানি ছিল সবচেয়ে বেশি। এসব চুক্তি এবং ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত হওয়া আরও কিছু বড় অস্ত্র চুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্র সামনের বছরগুলোতেও অস্ত্র রপ্তানিকারক হিসেবে এগিয়ে থাকবে। এরই মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রচুক্তি চূড়ান্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।