Monday, June 24, 2024
রাজ্য​

বিজেপির পতাকা হাতে গ্রাম প্রদক্ষিণ করলেন তৃণমূল সভাপতি

খানাকুল: বিজেপির পতাকা হাতে গ্রাম প্রদক্ষিণ করলেন তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি। কিন্তু কেন এমন ঘটনা? না, এটা কোনও দলবদলের ঘটনা নয়। এটা শাস্তি। তৃণমূল সভাপতিকে শাস্তির নিদান দিল বিজেপি। অভিযোগ, তৃণমূলের হুগলির খানাকুলের দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতির মদতে দুষ্কৃতীরা জাতীয় পতাকা ও বিজেপির পতাকা-ফেস্টুন ছিঁড়ে দেয়। এই অভিযোগে সভাপতি ও এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে, বিজেপির পতাকা হাতে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয় তাঁদের।

জানা গেছে, আজ়াদ হিন্দ সরকারের ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে খানাকুলের তাঁতিশাল পঞ্চায়েতের দুর্গাপুর গ্রামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, সেসময় তৃণমূল সভাপতি রঞ্জিত শাসমল ও তৃণমূল কর্মী আশিস সামন্তের মদতে বাইরের বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী হামলা চালায়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় জাতীয় পতাকা। আশপাশে বিজেপির ফ্ল্যাগ-ফেস্টুনও ছিঁড়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। মারধর করা হয় বিজেপি কর্মী বিকাশ সামন্তকে। এরপর গ্রামবাসী এসে দুষ্কৃতীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মারধর করে তাদের বের করে দেওয়া হয়। পরে রঞ্জিত ও আশিসকে বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে ধরিয়ে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। খানাকুল থানায় দুই নেতা-কর্মীর নামে অভিযোগও দায়ের করা হয়।

তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি রঞ্জিত শাসমল বলেন, তৃণমূল এই ঘটনায় জড়িত নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বাড়িতে শ-পাঁচেক লোক এসে হামলা চালাল। আমার অপরাধ আমি তৃণমূল করি। তাই, বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে গ্রাম ঘোরায়। আসলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই গ্রামের কেউ প্রার্থী হয়নি। প্রার্থী ঠিক করেছেন বিধায়ক। এখন দোষ পড়ছে আমাদের ঘাড়ে। জাতীয় পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।