পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগ কেটে গিয়েছে
কলকাতা: মঙ্গলবার রাত এবং বুধবার সকাল থেকে শুরু করে দুপুর অবধি ঘূর্ণিঝড় ইয়াস রাজ্যে তাণ্ডব চালিয়েছে। আপাতত দুর্যোগ কেটে গিয়েছে। কলকাতার আকাশে রোদ উঠেছে। শহরের সবকটি উড়ালপুল ফের খুলে উড়ালপুল বা ফ্লাইওভার খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে উপকূলবর্তী এলাকায় ভরা কোটালে জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে এখনও।
রাতভর নবান্নের কন্ট্রোলরুমে বসে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তিনি জানান, দিঘা এবং সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একজনের প্রাণ হারিয়েছেন বলে নবান্নের তরফে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করতে যাবেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মোট ১৫ লাখ ৪ হাজার ৫০৬ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও প্রায় এক কোটি মানুষ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন। তিন লাখ বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ১৩৪ বাঁধ ভেঙেছে। কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে ১০ লাখ ত্রিপল পাঠানো হয়েছে। ১০ কোটি চাল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপকূলবর্তী এলাকায় নদী জলে গ্রামে ঢুকে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীর বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। সন্দেশখালি, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, ক্যানিং ১–২, বজবজ, দিঘা, শংকরপুর তাজপুর, রামনগর, কাঁথি, নন্দীগ্রাম, সুতাহাটা, দেশপ্রাণ, কোলাঘাট, শ্যামপুর, কালীঘাট, চেতলা রাসবিহারী–সহ বহু এলাকা জলে প্লাবিত হয়েছে।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

