ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে ‘হিরো’ বললেন ট্রাম্প
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: ফ্লাইদুবাই বিমানে হামলার ঘটনা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, ‘এই ঘটনা নিয়ে তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন। ট্রাম্পের দাবি, বিমানের কো-পাইলট হয়তো ‘সন্ত্রাসবাদী’ অথবা ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’ কেউ হতে পারেন। তাঁর কথায়, কো-পাইলট ছুরি দিয়ে পাইলটকে আক্রমণ করেছিলেন।
ট্রাম্প পাইলট স্মিত মচ্ছরকে ‘হিরো’ বলে প্রশংসা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গুরুতর আহত হওয়ার পরও পাইলট অসাধারণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। তিনি কোনওভাবে ককপিটের দরজা খুলে সাহায্যের জন্য চিৎকার করেন। এরপর বিমানের যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা ককপিটে পৌঁছে কো-পাইলটকে আটকানোর চেষ্টা করেন।
ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহু তাঁকে আরও বলেছেন, বিমানে থাকা এক ইজরায়েলি যাত্রী, যিনি পেশায় প্লাম্বার এবং আগে কখনও বিমান চালাননি, তিনিও পরিস্থিতি সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ওই যাত্রী ককপিটে ঢুকে কো-পাইলটকে আসন থেকে টেনে পিছনে ফেলে দেন। এরপর অন্যান্য যাত্রীরা তাঁকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন।
ট্রাম্পের দাবি, ওই যাত্রী পরে জানান, ‘Air Disasters’ নামে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান দেখে তিনি বিমানের উড়ান সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক ধারণা পেয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ওই ব্যক্তি অনুষ্ঠানটি নিয়মিত দেখতেন এবং সেখান থেকেই বিমান চালনার কিছু বিষয় সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়েছিল।
এরপর বিমানের পিছনের দিকে থাকা অতিরিক্ত পাইলট এবং নিরাপত্তাকর্মীরাও ককপিটে পৌঁছে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেন বলে জানান ট্রাম্প। তাঁর কথায়, ঘটনাটি অত্যন্ত অবিশ্বাস্য।
তবে একইসঙ্গে ট্রাম্প স্পষ্ট করে দেন যে, তিনি ঘটনাটির যে বিবরণ দিচ্ছেন, তা তাঁর নিজের স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য নয়। তাঁর দাবি, তিনি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং আরও কয়েকটি প্রাথমিক সূত্রের কাছ থেকে এই বিবরণ শুনেছেন। তাই পুরো ঘটনাটি সত্য কি না, সে বিষয়ে তিনি নিজে নিশ্চিত নন বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

