যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে আপত্তিকর, হিংসাত্মক, সমাজবিরোধী এবং ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন, ভিডিও শেয়ার করে উদ্বেগ প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উত্তাল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ভিতরের আপত্তিকর, হিংসাত্মক, সমাজবিরোধী এবং ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন নিয়ে মুখ খুললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে আপত্তিকর, হিংসাত্মক, সমাজবিরোধী এবং ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন ও আঁকার অভিযোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে বেশ কিছু উদ্বেগজনক ভিডিও ও ছবি জমা পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন ছাত্রছাত্রীরাই এই বিষয়টি জানিয়েছেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হল শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, উৎকর্ষ এবং দেশ গঠনের পবিত্র স্থান। কোনও পরিস্থিতিতেই ক্যাম্পাসকে বিকৃত প্রচার বা ভারতবিরোধী মনোভাব ছড়ানোর মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
The Chief Minister’s Office (CMO) has received concerning videos and photographic representations through the CM’s Grievance Cell from conscientious Students of Jadavpur University, reporting instances of objectionable, sociopathic, violent and Anti-National wall graffiti &… pic.twitter.com/1zUevS1iei
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) August 24, 2026
মুখ্যমন্ত্রী জাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উচ্চশিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রথমে আর্টস ডিভিশনের বয়েজ হস্টেল এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে ওই আপত্তিকর দেওয়াল লিখনের অস্তিত্ব যাচাই করতে হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে, দেশবিরোধী কার্যকলাপের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। সংশ্লিষ্ট দফতর ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠোরভাবে এই নীতি কার্যকর করার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ ও একাডেমিক মর্যাদা বজায় রাখতে হবে।
যদি এই ধরনের দেশবিরোধী বার্তা ও আপত্তিকর আঁকার উপস্থিতি তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে অবিলম্বে সেগুলি মুছে ফেলা, দায়ীদের চিহ্নিত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি যেন মেধা ও শৃঙ্খলার কেন্দ্র হিসেবে থাকে—বিভাজনমূলক বক্তব্য ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের ক্ষেত্র হিসেবে নয়।”

