Friday, April 17, 2026
রাজ্য​

বিতর্কের মধ্যেই শুরু ‘সিভিক অধ্যাপক’ নিয়োগের ইন্টারভিউ, বিক্ষোভ ABVP’র

কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: দিনকয়েক আগে সামান্য বেতনে উচ্চ শিক্ষিতদের অস্থায়ী স্পেশাল লেকচারার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তুমুল সমালোচনা হয়। প্রশ্ন উঠেছিল তাহলে কি এবার সিভিক ভলেন্টিয়ারের পরে ‘সিভিক অধ্যাপক’ এর দিকে ঝুকছে রাজ্য? তবে তীব্র সমালোচনার মুখেও পিছু হটতে নারাজ বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, ৩০০ টাকার অধ্যাপক নিয়োগের ইন্টারভিউ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ইন্টারভিউ শুরু হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ দেখান তারা।

গত ২৪ মার্চ বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। যাতে বলা হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ অস্থায়ী ভিত্তিতে স্পেশাল লেকচারার নিয়োগ করা হবে। নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার ডিগ্রি, সঙ্গে নেট পাশ অথবা পিএইচডি। প্রতি ক্লাস পিছু দেওয়া হবে ৩০০ টাকা করে। সপ্তাহে তারা সর্বোচ্চ ৪টি ক্লাস নিতে পারবেন। অর্থাৎ মাসে সর্বোচ্চ ১৬টি ক্লাসের জন্য তারা পাবেন ৪৮০০ টাকা।

এই পরেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে, একজন শ্রমিকের দৈনিক পারিশ্রমিক যেখানে ৫০০-৬০০ টাকা, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মাসিক বেতন ৯০০০ টাকা, সেখানে পদার্থবিদ্যাতে পিএইচডি ডিগ্রিধারী অথবা নেট উত্তীর্ণ লেকচারারের বেতন কিভাবে মাসে সর্বাধিক ৪৮০০ টাকা হতে পারে?

উল্লেখ্য, ইউজিসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অতিথি শিক্ষকদের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ঘন্টার একটি ক্লাসের সাম্মানিক ১৫০০ টাকা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন তাহলে কিভাবে মাত্র ৩০০ টাকায় মাস্টার্স, পিএইচডি অথবা নেট কোয়ালিফায়েডকে দিয়ে ক্লাস করানো যায়?