Tuesday, June 9, 2026
দেশ

বিবিসির ডকুমেন্টারি নিয়ে আমেরিকার অবস্থান স্পষ্ট করলো হোয়াইট হাউস

কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে বিবিসি। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতে এটির সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা তাদের অবস্থানের স্পর্শ করলো।

‘India: The Modi Question’ তথ্যচিত্র নিয়ে প্রশ্ন করায় পাকিস্তানি সাংবাদিককে চুপ করতে বললো হোয়াইট হাউস। মঙ্গলবার মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইসকে এই তথ্যচিত্র নিয়ে প্রশ্ন করেন এক পাক সাংবাদিক। মাঝ পথেই তাঁকে থামিয়ে নেড প্রাইস বলেন, “আমি BBC-র তথ্যচিত্র সম্পর্কে অবগত নই। বিশ্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যেও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।”


ভারতীয় গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, “গণতন্ত্রের প্রশ্নে ভারত ও আমেরিকার মূল্যবোধ সমান। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। এই গণতন্ত্র বহুত্ববাদে ভরা ও খুবই প্রাণবন্ত। যাতে করে আমরা আরও কাছাকাছি আসতে পারি, একসঙ্গে পথ চলতে পারি, সেদিকেই নজর রেখে চলেছি।”

পাক বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাংসদ ইমরান হোসেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনককে এই তথ্যচিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলেন। জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই এই তথ্যচিত্র এবং গুজরাট হিংসা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। আমরা কোনও হিংসাকে সমর্থন করি না। কিন্তু, যেভাবে একজন মানুষের চরিত্রায়ন করা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমি একমত নাও হতে পারি।”