US consulate in Pakistan: অগ্নিগর্ভ পাকিস্তানের করাচি: ইরানে হামলার প্রতিবাদে মার্কিন কনস্যুলেটে ভাঙচুর, পুলিশের গুলিতে মৃত অন্তত ৯
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচি। রবিবার কয়েকশ ইরানপন্থী বিক্ষোভকারী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে (United States Consulate General Karachi) সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে একদল বিক্ষোভকারী কনস্যুলেট চত্বরে ঢোকার চেষ্টা চালায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে গুলি চালানো হয়। পুলিশের গুলিতে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি। উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র মহম্মদ আমিন জানিয়েছেন, মৃতদের অধিকাংশের শরীরে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, উত্তেজিত জনতা কনস্যুলেট ভবনের জানলার কাঁচ ভাঙচুর করছে। এক বিক্ষোভকারী সংবাদ সংস্থাকে বলেন, তাঁদের নেতার হত্যার প্রতিবাদেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
শুধু করাচি নয়, লাহোরে (Lahore) হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। অন্যদিকে, ইসলামাবাদের (Islamabad) কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সামনেও বিশাল সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। গোটা পাকিস্তান জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের (Ali Khamenei) মৃত্যুর জেরে Iraq (ইরাক)-এ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানী Baghdad (বাগদাদ)-এর সুরক্ষিত ‘গ্রিন জোন’-এ অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও বিক্ষোভকারীরা ঢোকার চেষ্টা চালায় বলে খবর।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের।


