Tuesday, May 26, 2026
Latestদেশ

GST সংস্কারকে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তীকালের সর্ববৃহৎ সংস্কার’ বলে অভিহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: পণ্য ও পরিষেবা করের (GST) যৌক্তিকীকরণকে ‘‘স্বাধীনতা-পরবর্তীকালের সর্ববৃহৎ সংস্কার’’ বলে অভিহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, নবরাত্রির প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হতে চলেছে জিএসটি কাউন্সিলের এই নতুন সংস্কার, যার ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় বহু পণ্য ও পরিষেবায় করের হার হ্রাস পাবে।

জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ‘‘নবরাত্রির প্রথম দিন থেকেই জনগণ এই সংস্কারের সুবিধা পেতে শুরু করবে। এবার ধনতেরাস আরও উজ্জ্বল হবে। এটি স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় সংস্কার।’’ তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, লালকেল্লা থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দীপাবলি ও ছট পূজার আগেই ‘‘ডাবল ধামাকা’’ সংস্কার কার্যকর করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, এই জিএসটি সংস্কারে ‘‘পঞ্চরত্ন’’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—

1. একটি সহজ ও স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা,

2. নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন,

3. ভোগ ও বৃদ্ধির প্রসার,

4. ব্যবসা সহজ করার মাধ্যমে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি,

5. এবং শক্তিশালী কোঅপারেটিভ ফেডেরালিসম।

এ প্রসঙ্গে বিরোধী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি অভিযোগ করেন, তাদের শাসনকালে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধ—সব কিছুর ওপরই কর চাপানো হয়েছিল।

কোন কোন ক্ষেত্রে বদল

জিএসটি কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—

পাউরুটি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যসামগ্রী সম্পূর্ণ করমুক্ত।

জীবনদায়ী ওষুধ এবং স্বাস্থ্যবিমার ওপর থেকে কর তুলে দেওয়া হয়েছে।

কৃষিজ পণ্য, ছোট গাড়ি ও বাইকের মতো বেশ কিছু পণ্যের ওপর করের হার কমানো হয়েছে।

সরকারের দাবি, এই সংস্কার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ কমাবে, শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ আনবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। নবরাত্রি থেকেই তাই নতুন কর কাঠামোর সুবিধা সরাসরি হাতে পেতে চলেছেন নাগরিকরা।