বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে সাক্ষাৎ করলেন মোদী
ঢাকা: শুক্রবার দু’দিনের সফরে বাংলাদেশ গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও মোদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, যুব আইকনদের সঙ্গে।
দীর্ঘ ১৫ মাস পরে এটাই নরেন্দ্র মোদীর প্রথম বিদেশ সফর। প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে থাকা প্রবাসীরা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। স্মৃতিসৌধে অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন মোদী। পাশাপাশি, স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীর বইয়ে স্বাক্ষর করেন নমো।

মোদী বলেন, আমি বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক শহিদদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করছি, যাদের গৌরবময় ত্যাগে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। লাখো লাখো শহিদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাই।
তিনি আরও বলেন, তাঁদের বীরত্ব ভবিষ্যতের প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রেরণা জোগাবে। ভারতবাসীর তরফে আমি প্রার্থনা করছি সাভারে চিরন্তন শিখা প্রতারণার বিরুদ্ধে সত্য এবং সাহসের উজ্জ্বল বিজয়ের এক চিরস্থায়ী স্মৃতি হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ প্রায়শই শোনা যায়। পুজোর আগে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা সামনে আসে। যা নিয়ে সবর হতে দেখা যায় গেরুয়া শিবিরকে। তারই অংশ হিসেবে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন পাস করা হয়েছে ভারতে।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে বিতাড়িত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিষ্টানদের ভারতে নাগরিকত্ব দিতেই এই আইন। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে নতুন এই নাগরিকত্ব বিল তৈরি করা হয়েছে। সংশোধিত বিল অনুযায়ী, ২০১৪ সালের আগে এই তিনটি দেশ থেকে আসা অমুসলিমদের ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

