‘পশ্চিমবঙ্গ আবার ভারতের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে নিজের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করতে প্রস্তুত’
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: পালাবদলের পর একের পর এক বিনিয়োগ আসছে পশ্চিমবঙ্গে। এ প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পাল ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বে আমাদের বিজেপি সরকার স্বচ্ছ প্রশাসন, স্থিতিশীল নীতি এবং শিল্পবান্ধব সংস্কারের মাধ্যমে রাজ্যে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও নতুন সুযোগের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
প্রস্তাবিত ও চলমান উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগগুলির মধ্যে রয়েছে—
• লাক্স ইন্ডাস্ট্রিজ – ডানকুনিতে ₹৬০০ কোটি।
• শ্যাম স্টিল – বাঁকুড়ার মেজিয়ায় ₹১৫,০০০ কোটির সম্প্রসারণ।
• ফিউশন সিএক্স – ₹১০০ কোটির আইটি ও আইটিইএস ক্যাম্পাস, যেখানে ৯,০০০-এরও বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা।
• লার্সেন অ্যান্ড টুবরো (L&T) – ₹৪,৫০০ কোটির প্রস্তাবিত এআই ডেটা সেন্টার, যার মাধ্যমে প্রায় ২৫,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।
• বার্জার পেইন্টস ও পিয়ারলেস – ₹১,৬০০ কোটির রিয়েল এস্টেট প্রকল্প।
• আইটিসি লিমিটেড – উৎপাদন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে ₹২,৩০০ কোটির বিনিয়োগ।
• আমুল – দুগ্ধ পরিকাঠামো ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তিশালী করতে ₹৬৫০ কোটি।
• জেএসডব্লিউ ইনফ্রাস্ট্রাকচার – কলকাতা ডক সিস্টেমে ₹৮৩২.২৫ কোটির বিনিয়োগ।
• মিতসুবিশি – দুর্গাপুর/পানাগড়ে প্রস্তাবিত সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব্রিকেশন ইউনিট।
• আদানি গ্রুপ – প্রস্তাবিত তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দর, পাশাপাশি ₹২,৫০০ কোটির আদানি আরোগ্য মন্দির সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ।
তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দর ও মিতসুবিশির সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্পের বিনিয়োগের পরিমাণ যুক্ত না করেও, এই বিনিয়োগের সম্ভাব্য পরিমাণ ইতিমধ্যেই ₹২৮,০০০ কোটিরও বেশি।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক হিংসা, দুর্নীতি এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে পশ্চিমবঙ্গ শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটতে চলেছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করবে, শিল্পায়নের গতি বাড়াবে, লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং পশ্চিমবঙ্গকে আবারও ভারতের অন্যতম প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
ভয় ও স্থবিরতার যুগ শেষ হতে চলেছে। শুরু হতে চলেছে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন যুগ।”

