‘২ পয়সার সাংবাদিক’ মন্তব্যের জের? মহুয়া মৈত্রকে সংগঠন থেকে সরালো তৃণমূল
কলকাতা: সোমবার মহুয়া মৈত্রকে কৃষ্ণনগরের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিল তৃণমূল। মহুয়ার পরিবর্তে কৃষ্ণনগরের সভাপতি পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জয়ন্ত সাহাকে। তবে হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? জানা গিয়েছে, মহুয়ার বিরুদ্ধে নাকি অনেকেই ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়েছিল। তার আচরণ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন। পাঠ করায় এই সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল।
উল্লেখ্য, ভোটের আগে জেলা স্তরে এক বৈঠকে মহুয়া মৈত্র সাংবাদিকদের তীব্র কটাক্ষ করেন। বলেছিলেন, ২ পয়সার সাংবাদিক। যা নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে। জেলার এক নেতা বলেন, মহুয়ার বাকস্বাধীনতা রয়েছে। উনি মন্তব্য করতে পারেন। ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক সেটা পরের কথা। কিন্তু উনার কথার মধ্যে তার ঔদ্ধত্য দেখা গিয়েছিল।
এদিকে, গত ৫ জুনের বৈঠকে তৃণমূলের তরফে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি কার্যকর করা হবে। সোমবার দলের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হল। উত্তর ২৪ পরগনাকে চার ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি ও বাঁকুড়াকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। কোন বিধানসভা কোন সাংগঠনিক জেলার মধ্যে থাকবে তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনার মতো প্রায় একাধিক জেলার সভাপতি পদে বদল করা হয়েছে। পদ থেকে সরানো হয়েছে সৌমেন মহাপাত্র, স্বপন দেবনাথ, পুলক রায়, অরূপ রায়, দিলীপ যাদব, বেচারাম মান্না, মহুয়া মৈত্র, পার্থপ্রতিম রায় (কোচবিহার), অখিল গিরি এবং মৌসম নূরকে। দায়িত্ব পেয়েছেন প্রচুর নতুন মুখ।


