Saturday, February 7, 2026
দেশ

পুরাণের কথা মিলে গেল, রাম মন্দিরের নিচে সরযূ নদীর স্রোত পাওয়া গেল, উচ্ছ্বসিত ভক্তরা

অযোধ্যা: হিন্দুদের বহু বছরের প্রতীক্ষার অবসান। শুরু হয়ে গিয়েছে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ। পুরাণে বর্ণিত কাহিনী অনুযায়ী, প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে সরযূ নদীর (Sarayu River) স্রোত পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি জায়গাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করেছে। তবে সেই সাথে ভয়েরও কারণ রয়েছে! কেননা মাটির নিচে বালি ও জলের পরিমাণ বেশি বলে মাটির জোর এমনিতেই কম। তাই মন্দিরের নীচ দিয়ে জলস্রোত বয়ে গেলে ধস নেমে মন্দিরের ক্ষতি হতে পারে।

উল্লেখ্য, আগের অবস্থান থেকে কিছুটা সরিয়ে করা হচ্ছে প্রস্তাবিত রাম মন্দির। তবে প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে দিয়ে এখনও বয়ে চলেছে সরযু নদী। যেমনটা উল্লেখ ছিল পুরাণে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন প্রধান সচিব নৃপেন্দ্র মিশ্রা এ বিষয়ে জানিয়েছেন।

রাম মন্দিরের নিচে সরযূ নদীর স্রোত পাওয়ার পরে ট্রাস্ট ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (‌IITs) সহায়তা চেয়েছে। মন্দিরের পরিকাঠামো জোরদার করতে আরও ভালো নকশা তৈরি করতে বলা হয়েছে তাঁদের। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, আইআইটিকে মন্দিরের শক্ত ভিত্তি স্থাপনের জন্য আরও শক্তিশালী নকশা প্রস্তুত করার কথা বলেছে।

৪২ মাসের মধ্যে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে মন্দিরের নির্মাণ শেষ করতে চাইছে রাম মন্দির ট্রাস্ট। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মন্দির হবে এটি। গুজরাট ও রাজস্থানের ২৫০ দক্ষ কারিগরকে মন্দির নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৷ তাঁদের হাতেই তৈরি হবে মন্দির। আকাশছোঁয়া এই মন্দিরে রাজস্থানের গোলাপি পাথরের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হবে অপূর্ব সব কারুকাজ।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সাল থেকেই মন্দির তৈরির কাজ চলছে। কয়েকশো শিল্পী নিরলস পরিশ্রম করে গিয়েছেন। তাঁদের স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মন্দিরের ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ। তৈরি কাঠামো নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিলেই হবে। মন্দির ১৬১ ফুট উঁচু হবে, তিন তলা হবে। মোট এলাকা ৭০ একর। পিলারের সংখ্যা ৩৬০টি। পাঁচটি গম্বুজ থাকবে।

Somoresh Sarkar

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।