অ্যাকশন মুডে হিমন্ত সরকার, চিতায় ১৬৩ কোটি টাকার মাদক ‘মুখাগ্নি’ করলেন মুখ্যমন্ত্রী
গুয়াহাটি: মাদক আসক্তি মানুষের জীবনকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। মাদকের ভয়াবহতা বলে কিংবা লিখে শেষ করা যাবে না। আমরা সকলেই মাদকমুক্ত একটি সমাজ প্রত্যাশা করি। অসম সরকার মাদকের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর, রীতিমতো জেহাদ ঘোষণা করেছে। ‘ড্রাগ মুক্ত অসম’ (Drugs Mukta Assam) গড়ার সংকল্প নিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
এদিন চিতায় কোটি কোটি টাকার মাদক ‘মুখাগ্নি’ করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমে কোটি কোটি টাকার ড্রাগ বাজেয়াপ্ত করে অসম পুলিশ। প্রকাশ্যে সেই ড্রাগ পোড়ালেন স্বয়ং অসমের মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় আসার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা করেছেন। সাফ জানিয়েছেন, বাজেয়াপ্ত হওয়া মাদক প্রকাশ্যে পোড়ানো হবে। কথা মতোই কাজ করে দেখালেন তিনি।
চারটি জায়গায় মাদক পোড়ানো হয়। শনিবার দিফু এবং গোলাঘাটে মাদক পোড়ানো হয়। রবিবার নাগাঁও এবং হোজাইয়ে মাদকের চিতা জ্বালানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত দু’মাসে ১৬৩ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার করেছে অসম পুলিশ। যা রাজ্যে মাদক কারবারের মাত্র ২০ শতাংশ। এর মানে অসমে ২-৩ হাজার কোটি টাকার মাদকের বাজার রয়েছে। গোলাঘাটে ৮০২ গ্রাম হেরোইন পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে। যারর বাজারমূল্য ২০ কোটি টাকা। এছাড়া ক্রিস্টাল মেথ, মরফিন ক্যানাবিস, ট্যাবলেটও পোড়ানো হয়েছে।
Fight Against Drugs @assampolice is firm in its resolve to create a ‘Drugs Mukta Assam’.
Today, in Diphu, we destroyed 11.88 kg Morphine, 2.89 kg Crystal Meth, 3.47 kg Heroin, 102.91 kg Cannabis & 2,03,384 nos. tablets.
We are proud of our state police. 1/3 pic.twitter.com/udNWCjnT5S
— Himanta Biswa Sarma (@himantabiswa) July 17, 2021
হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, তিনি ক্ষমতায় বসার পর মাদক নিয়ে ৮৭৪টি কেস দায়ের করা হয়েছে। ১৪৯৩ জন ড্রাগ ডিলারকে পাকড়াও করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ১৬৩ কোটির মাদক।
অসম পুলিশ জানিয়েছে, গত কয়েকমাসে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১৮.৮২ কেজি হেরোইন, ৭৯৪৪.৭২ কেজি ক্যানাবিস, ৬৭ হাজার ৩৭১ বোতল সিরাপ, ১২ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৪ নেশাসক্ত ট্যাবলেট, ১.৯৩ কেজি মরফিন এবং ৩ হাজার ৩১৩ কেজি ওপিয়াম উদ্ধার করা হয়েছে।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

