এখন ‘অনুপ্রবেশকারীরা’ পরিচালনা করছে আন্দোলন, ধ্বংস যজ্ঞ চালাচ্ছে, উদ্বিগ্ন জেন-জি বিক্ষোভকারীরা
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: নেপালে সামাজিক মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হিংসাত্মক আকার ধারণ করেছে। জেন-জি গোষ্ঠী আন্দোলনটি প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও দ্রুত সহিংসতা এবং অগ্নিসংযোগে রূপ নেয়। দুই দিনের মধ্যে পুলিশ গুলিতে ২০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হয়ে ওঠে। প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ও প্রেসিডেন্ট উভয়েই পদত্যাগ করেন। সেনার হাতে নেপাল। তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রয়েছে।
নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বিভিন্ন ‘ব্যক্তি এবং নৈরাজ্যবাদী গোষ্ঠী’ এই প্রতিবাদে অনুপ্রবেশ করে ব্যক্তিগত ও সরকারি সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি করছে। সেনাবাহিনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল অভিযান শুরু করেছে। তাদের দাবি, প্রকৃত আন্দোলনটির লক্ষ্য ছিল জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির অবসান, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ‘সুবিধাবাদী অনুপ্রবেশকারীরা’ এই শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়াটি ছিনিয়ে নিয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের তরফ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের আন্দোলন অহিংস ছিল, এখনও আছে এবং শান্তিপূর্ণ নাগরিক সম্পৃক্ততার নীতিতে প্রোথিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি পরিচালনা করছি, নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করছি এবং সরকারি সম্পত্তির নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছি।’ তারা আরও ঘোষণা করেছে যে, বুধবার থেকে আর কোনো বিক্ষোভের পরিকল্পনা নেই। প্রয়োজনে সামরিক বাহিনী ও পুলিশকে কারফিউ বাস্তবায়নের আহ্বানও জানানো হয়েছে।
বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান অস্থিরতার কারণে দেশটির অনেক বিক্ষোভকারী উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, এখন এই আন্দোলনটি নিয়ন্ত্রণহীন গোষ্ঠীর হাতে চলে গিয়েছে।


