Ganesh Uike: হিডমার পর এবার গণেশ উইকে, ওড়িশায় এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: গত মাসে এনকাউন্টারে নিহত হয়েছিলেন মাওবাদী শীর্ষনেতা মাডবী হিডমা। তার ঠিক এক মাসের মাথায় ফের বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। বৃহস্পতিবার বড়দিনের সকালে ওড়িশার কন্ধমল জেলার জঙ্গলে এনকাউন্টারে নিহত হলেন আরও এক মাওবাদী শীর্ষনেতা গণেশ উইকে।
বৃহস্পতিবার ভোরে কন্ধমলের জঙ্গল এলাকায় মাওবাদীদের উপস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীর যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। জঙ্গলে তল্লাশি চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই চলে।
এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষে মোট ৬ মাওবাদী নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন হলেন গণেশ উইকে। নিহতদের মধ্যে ২ জন মহিলা মাওবাদী সদস্যও রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গণেশ উইকে মাওবাদী মহলে পাক্কা হনুমন্তু, রাজেশ তিওয়ারি, চামরু এবং রুপা নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি তেলঙ্গানার নলগোন্ডা জেলার চেন্দুর মণ্ডলের পুল্লেমালা গ্রামের বাসিন্দা। গণেশের মাথার দাম ছিল এক কোটি এক লাখ টাকা। হিডমার মৃত্যুর পর থেকেই তার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছিল।
বুধবার রাতে গোপন সূত্রে খবর আসে, কন্ধমল জেলার বেলঘর থানার অন্তর্গত গুম্মার জঙ্গলে একদল মাওবাদী শীর্ষনেতা-সহ জড়ো হয়েছে। সেই খবরের ভিত্তিতেই রাতেই অভিযানে নামে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীর যৌথ দল। রাতভর তল্লাশির পর বৃহস্পতিবার ভোরে শুরু হয় গুলির লড়াই, যার পরিণতিতেই মৃত্যু হয় গণেশ উইকের।
উল্লেখ্য, এই এনকাউন্টারের মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ওড়িশার মালকানগিরি জেলায় ২২ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। একের পর এক আত্মসমর্পণ ও শীর্ষনেতাদের মৃত্যুকে মাওবাদী সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে নিরাপত্তা মহল।


