মাত্র ৪২টি আসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন মমতা: সায়ন্তন বসু
জলপাইগুড়ি: ‘আবকি বার দিদি সরকার’ সোশ্যাল মিডিয়া নয়া এই হ্যাশট্যাগে ছয়লাপ। কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ‘মুখ’ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তৃণমূলেরও তরফেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রচার চালানো হচ্ছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ জুলাই, শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন। এজন্য তিনি বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছেন। বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য বর্তমানে পাঁচদিনের দিল্লি সফরে রয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই দিল্লি সফর নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু।
জলপাইগুড়ির শান্তিপাড়া মোড়ে চা চক্রে যোগ দিয়ে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, মাত্র ৪২ টি সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আষাঢ়ে গল্প শুনিয়ে কোন লাভ নেই। তৃণমূল রাজ্যজুড়ে যে সন্ত্রাসের রাজনীতি চালিয়েছে তার বিচার হবে। সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আমি আগেও বলেছি, এখনো বলছি অর্ধেকের বেশি তৃণমূল নেতা দিন ১৫ এর মধ্যে জেলে যাবে।
সায়ন্তনবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ভিক্ষাবৃত্তি করতে দিল্লিতে গিয়ে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। তাঁকে কেউ যদি ডেকে একটু কথা বলেন। এতে রাজ্যের মান-সন্মানের সর্বনাশ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। মুখ্যমন্ত্রীকে রাজনৈতিক সফর না করে এমনি সাধারণ সফরের পরামর্শ দেন তিনি। আর লালকেল্লা- সহ দিল্লির দর্শনীয় সকল স্থান ঘুরে ফিরে দেখার কথা বলেন।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বিরোধী জোট করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে সায়ন্তন বসু বলেন, দেশে বিরোধীদের কোনও অস্তিত্ব নেই। মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, আমি যদি এখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার চিন্তা করি, হতে পারব কি? পারব না। সেরকমই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। যে কেউই স্বপ্ন দেখতে পারেন।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

