ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে বিপাকে মিমি? টিকার বদলে পাউডার গোলা জল!
কলকাতা: করোনা টিকা নিয়ে প্রতারণার শিকার হলেন তৃণমূল সাংসদ তথা টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী! এই খবর প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা যায়, মঙ্গলবার কসবার এক ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পে হাজির হয়ে টিকা নিয়েছিলেন মিমি, পরবর্তীতে খটকা লাগায় তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারেন ওই টিকা ক্যাম্পটি সম্পূর্ণ জাল। এরপর মিমির তৎপরতায় গ্রেফতার করা হয় এই ভুয়ো ভ্যাকসিনেশন চক্রের মূল পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেবকে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কসবার টিকাকরণ কেন্দ্রে দেওয়া হয়নি করোনার টিকা। টিকার কোনও ভায়ালেই ছিল না ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট, এক্সপায়ারি ডেট। নেই কোনও ব্যাচ নম্বরও। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পাউডারের সঙ্গে জল মেশানো তরল পদার্থকে কোভিশিল্ড হিসাবে মিমি ও অন্যদের দেওয়া হয়েছিল।
ওই ভুয়ো ক্যাম্প থেকে বাজেয়াপ্ত সামগ্রী পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসতে চার-পাঁচদিন সময় লাগবে। ভুয়ো টিকা নিয়ে আপাতত কেমন আছেন মিমি?
এদিন ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় মিমি জানান, আমি একদম সুস্থ আছি, আপনারা সকলে আমাকে মেসেজ করেছেন ধন্যবাদ। দেখুন, আমরা সবাই প্রতারিত, আমাদের হাতে এখন আর কিছু নেই। তবে আমার মনে হয় আমি যখন সুস্থ আছি, আপনারাও রয়েছেন শুধু প্যানিক করবেন না। আমার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে, ইতিমধ্যেই ওই টিকার স্যাম্পেল পরীক্ষার জন্য চলে গিয়েছে। ওই টিকা গুলোয় কী ছিল সেটা আমরা রিপোর্ট এলে জানতে পারব, তবে যেটুকু আমি জেনেছি ওর মধ্যে ক্ষতিকারক কোনও পদার্থ ছিল না, তবে হ্যাঁ আমরা সকলেই মোটামুটি নিশ্চিত ওতে করোনা টিকা অবশ্যই ছিল না। কিন্তু, পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আমাদের রিপোর্ট হাতে পাওয়া অবধি অপেক্ষা করতে হবে।
View this post on Instagram
টিকা জালিয়াতদের হাত থেকে বাঁচতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে,? ভিডিওতে করোনা টিকা নেওয়ার পরবর্তী সার্টিফিকেট কেমন হবে তা তুলে ধরেন মিমি। পাশাপাশি, মিমি জানান, টিকার নেওয়ার পরপরই রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে মেসেজ আসবে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে। মেসেজ কখনও কখনও আসতে দেরি হয় ঠিকই, তবে সার্টিফিকেটের ব্যাপারে সকলকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

