মহিলা চালিত অক্সিজেন এক্সপ্রেসের লোকো পাইলটকে কুর্ণিশ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করছে গোটা দেশ। গত কয়েক দিনে কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। ব্যাপক হারে টিকাকরণ চলছে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে করা লকডাউন চলছে। এই পরিস্থিতিতে মন কি বাতের ৭৭তম পর্বে করোনাকে হারানোর বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নিজের ক্ষমতা বাড়িয়েছে। আগের থেকে দেশে এখন ১০ গুণ বেশি অক্সিজেন উৎপাদন হচ্ছে। ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বায়ু সেনা করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে দেশবাসীকে সবদিক থেকে সহায়তা করছে। গোটা দেশবাসী তাঁদের প্রতি গর্বিত।
করোনার বিরুদ্ধে একদম প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করছেন যাঁরা যেমন ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের কুর্নিশ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বেশির ভাগ অক্সিজেন প্লান্ট দেশের ইস্টার্ন জোনে অবস্থিত। যার ফলে সারা দেশে চাহিদামতো অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ট্যাংকার ও অক্সিজেন এক্সপ্রেসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
এদিন অক্সিজেন এক্সপ্রেসের লোকো পাইলটদের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী বলেন, নারী শক্তির অনন্য নজির। এটা শুনে মা বোনেদের নিয়ে গর্ব হচ্ছে। অক্সিজেন এক্সপ্রেস সম্পূর্ণ পরিচালনা করছেন মহিলারা। আজ আমি সিরিশা গজনীকে (অক্সিজেন এক্সপ্রেস পরিচালনা করেছিলেন) আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তাঁর কাছে জানতে চাইব, এই বড় কাজ করার অনুপ্রেরণা কোথা থেকে পেলেন? করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশে অক্সিজেনের চাহিদা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে দেশের হয়ে কাজ করতে পেরে কেমন লাগছে?
🎙️#PMonAIR : Mothers and sisters would be proud to hear that one #oxygenexpress is being run fully by women.Every woman of the country will feel proud at that. Not just that, every Indian will feel proud. I have invited Shirisha Gajni,a loco pilot of Oxygen Express,to #MannKiBaat pic.twitter.com/ctNS4eaC8a
— All India Radio News (@airnewsalerts) May 30, 2021
প্রধানমন্ত্রীকে উত্তরে সিরিশা গজনী (Shirisha Gajni) বলেন, মা-বাবার থেকেই আমি অনুপ্রাণিত। উনারাই আমার সবথেকে বড় সাপোর্ট। তবে এই পরিস্থিতিতে সবাই সহযোগিতা করছে। দেড় ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটার রাস্তা পার করেছিলাম। গ্রিন কার্ড পেয়েছি। কঠিন পরিস্থিতিতে দেশের পাশে থাকতে পেরে গর্বিত।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

