১১.৮ কোটি পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি মিড-ডে মিলের টাকা দেবে কেন্দ্র
নয়াদিল্লি: ভারত সরকারের শিক্ষায় জাতীয় পুষ্টি সহায়তা প্রকল্প অর্থাৎ মিড–ডে মিল প্রকল্প (Midday Meal Scheme)। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা এই প্রকল্পের আওতায় দুপুরে স্কুলে খেতে পারে। তবে গত বছর থেকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বন্ধ রয়েছে স্কুলের পঠনপাঠন। স্কুলে মিড-ডে মিলের রান্নাবান্না হচ্ছে না। যার ফলে মিড–ডে মিল প্রকল্পের টাকা জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল টুইটে জানান, করোনা পরিস্থিতি কারণে গত বছর থেকে স্কুলে মিড–ডে মিল প্রকল্পের রান্নাবান্না হয়নি। যার ফলে এই প্রকল্পের টাকা খরচ করতে হয়নি সরকারকে। সেই ১২ হাজার কোটি টাকা এবার ছাত্রছাত্রীদের কিংবা তাদের অভিভাবকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে উপকৃত হবে দেশের প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ১১.৮ কোটি পড়ুয়া।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরাসরি ছাত্রছাত্রীদের কিংবা তাদের অভিভাবকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দিলে করোনা পরিস্থিতিতে তাঁরা তাঁদের প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য এবং চিকিৎসার জন্য ওষুধ কিনতে পারবেন।
About 11.8 crore students to be benefited as GoI to provide Monetary Assistance through Direct Benefit Transfer (DBT) under the MDM Scheme. An additional fund of about Rs. 1200 Cr to be provided for this purpose. (1/5)
— Dr. Ramesh Pokhriyal Nishank (@DrRPNishank) May 28, 2021
ক্ষুধার্ত শিশুরা সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারে না। এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে ১৯৯৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিল (এমডিএম) প্রকল্প চালু করে ভারত সরকার। মিড-ডে মিল পড়ুয়াদের তিনটি বিষয় উন্নতি করে- স্কুলে উপস্থিতি, স্কুলছুটের সংখ্যা কমানো এবং শিশুদের পুষ্টির উপর একটি উপকারী প্রভাব।
সরকারের মিড-ডে মিল পরিকল্পনার উদ্দেশ্যগুলি হল:
- সরকারি, স্থানীয় ও সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত স্কুল, এবং ইজিএস এবং এআইই কেন্দ্রগুলিতে প্রথম-অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মধ্যে পুষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
- সমাজের অনগ্রসর অংশের দরিদ্র শিশুদের নিয়মিত স্কুলে আসতে উৎসাহিত করা, শ্রেণীকক্ষের বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ এবং মনোনিবেশ করতে সহায়তা করা।
- খরা-প্রভাবিত এলাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের পুষ্টির ব্যবস্থা করা।

গুরুদাস কলেজ থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিজিটাল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।

