উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন মোদী
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: ভারতের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আজ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের প্রার্থী সি.পি. রাধাকৃষ্ণণ এবং বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রার্থী বিচারপতি বি. সুদর্শন রেড্ডি একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনী মঞ্চে রয়েছেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ, যা বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হবে ভোট গণনা, এবং রাতের মধ্যেই পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের নাম ঘোষিত হবে।
এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে গত ২১শে জুলাই জগদীপ ধনকরের স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগের পর। সংবিধানের ৬৭(এ) অনুচ্ছেদের অধীনে তার পদত্যাগ তাৎক্ষণিক কার্যকর হয় এবং দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নির্বাচন জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াটি শুধু উপাধি অর্জনের লড়াই নয়, বরং এটি এনডিএ ও বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মধ্যে রাজনৈতিক শক্তির পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা মোট ৭৮১ জন হলেও ভারত রাষ্ট্র সমিতি (BRS) এবং বিজু জনতা দল (BJD)-এর ভোটদান থেকে বিরত থাকার কারণে কার্যকরী ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭২ জন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ৩৮৭। এনডিএ জোটের হাতে রয়েছে ৪২৫ জন সাংসদ। এর সঙ্গে ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির ১১ জন সাংসদের সমর্থন যোগ হলে তাদের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩৬। অন্যদিকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মোট সাংসদ সংখ্যা ৩২৪ জন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনডিএ জোটের জয় নিশ্চিত হলেও এবারের ব্যবধান ১০০-১২৫ ভোটের মধ্যে সীমিত হতে পারে। এটি বিরোধী শিবিরের শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করছে, বিশেষত গত লোকসভা নির্বাচনের পর পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে।
এদিন ভোটপ্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ অন্যান্য প্রবীণ নেতারা। এখন দেশের নজর কেন্দ্রীভূত রয়েছে ভোট গণনার দিকে, যেখানে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ফলাফল ঘোষণা শুরু হবে। নতুন উপরাষ্ট্রপতি কে হবেন, সেটাই এখন সর্বোচ্চ আলোচ্য বিষয়।


