বাংলাদেশকে আরও ৭০০০ টন ডিজেল দিচ্ছে ভারত
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতেও। বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফের বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করছে ভারত।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে প্রায় ৭ হাজার টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এই জ্বালানি পৌঁছতে প্রায় দু’দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিপিসির চেয়ারম্যান মহম্মদ রেজানুর রহমান।
রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চ মাসে মোট ১৭টি ট্যাঙ্কারে করে ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯টি ট্যাঙ্কার গন্তব্যে পৌঁছেছে। আরও একটি জাহাজ বাংলাদেশের দিকে রওনা দিয়েছে, তবে বাকি ৭টি ট্যাঙ্কারের কোনও নির্দিষ্ট খবর এখনও পাওয়া যায়নি। ফলে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
এই প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তা দিয়েছে ভারত। ২৫ মার্চ থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়। তার আগে ১০ মার্চ নাগাদও একই পরিমাণ তেল পাঠানো হয়েছিল। চলতি বছরে ইতিমধ্যেই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে জ্বালানি সরবরাহে আরও চাপ তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশের এই জ্বালানি সহযোগিতা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করছে, পাশাপাশি আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে।


