ED raids Al-Falah University : জঙ্গি কার্যকলাপে আর্থিক মদত! আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি ঠিকানায় ইডির হানা
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের তদন্তে নয়া মোড়। এবার হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বেআইনি আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত আইন— প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA)— অনুযায়ী মামলা রুজু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
২৫টি ঠিকানায় তল্লাশি
ইডি সূত্রে জানা গেছে, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত দিল্লি এবং ফরিদাবাদের মোট ২৫টি ঠিকানায় তল্লাশি চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট এবং সন্দেহজনক দাতাদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কার্যপদ্ধতি ও অর্থনৈতিক লেনদেনে একাধিক অসঙ্গতির হদিস মিলেছে।
চিকিৎসকদের ভূমিকা সন্দেহজনক
বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু চিকিৎসকের ভূমিকা তদন্তের আওতায় এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা বিভাগের কয়েক জন সদস্য—
উমর-উন-নবি
মুজাম্মিল গনাই
শাহিন শাহিদ
আদিল
সহ আরও কয়েকজন চিকিৎসক বিস্ফোরণ-কাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।
তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলতেই দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দু’টি আলাদা এফআইআর দায়ের করেছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকীকে তলব করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
জঙ্গি মদতের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে
ইডি এবং দিল্লি পুলিশের আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখা এখন আলাদাভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডের উৎস এবং ব্যয়ের খতিয়ান খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন—
বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক তহবিল জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়েছিল কি না,
দোষী ব্যক্তিদের আর্থিকভাবে কোনও সহায়তা দেওয়া হয়েছিল কি না,
এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এই বিষয়ে সচেতন ছিল কি না।
তদন্তে নতুন মোড়
পুলিশ সূত্রের দাবি, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কার্যকলাপ ‘সন্দেহজনক’ বলেই প্রাথমিক পর্যায়ে উঠে এসেছে। তল্লাশিতে যদি মানি লন্ডারিং, তহবিল অপব্যবহার বা জঙ্গি যোগের প্রমাণ মিলতে থাকে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর ধারায় মামলা হতে পারে।
ইতিমধ্যেই তদন্তের পরিধি বাড়ানো হয়েছে এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক নথির ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। ইডি এবং দিল্লি পুলিশ দুই সংস্থাই এই তদন্তকে ‘উচ্চ অগ্রাধিকার’ হিসেবে দেখছে।


