‘রাজ্যজুড়ে CAA সহযোগিতা শিবির বিজেপির’, অমিত শাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ শান্তনু ঠাকুরের
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: বিহারে ইতিমধ্যেই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর করা হয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বাকি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এসআইআর করা হবে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের উদ্বাস্তু হিন্দুদের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। এরমধ্যেই সিএএ নিয়ে সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।
এদিন শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রতিনিধি দল অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে উঠে আসে উদ্বাস্তু হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রের মোদী সরকারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয় মতুয়া মহাসঙ্ঘের তরফে।

এদিন মতুয়া মহাসঙ্ঘের তরফে দাবি জানানো হয় লিটল আন্দামান দ্বীপের নাম পরিবর্তন করে শ্রী হরিগুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে নামকরণের। এছাড়া শ্রী পি. আর. ঠাকুরকে ভারত রত্ন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
সিএএ বিষয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তু হিন্দুদের কোনো ভয় নেই। আপনারা সিএএ-তে আবেদন করুন।’
শান্তনু ঠাকুর আরও জানান, ‘আপনাদের কাছে বাংলাদেশের কোনও কাগজপত্র থাকলে সেগুলি ঠাকুরবাড়িতে জমা দেবেন। ঠাকুরবাড়ি থেকে আপনাদের হয়ে সিএএ-তে আবেদন করা হবে। ঠাকুরবাড়ি থেকে আবেদন করলে মতুয়া মহাসঙ্ঘের একটি শংসাপত্রও দেওয়া হবে। মতুয়া মহাসঙ্ঘের সদস্যরা নাগরিকত্ব পাবেন।’
আজ দিল্লিতে @aimms_org এর প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে, মাননীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী @AmitShah জীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।
মন্ত্রী জীর বিভিন্ন নির্দেশনা গ্রহণ সহ বর্তমান সময়ে উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রসঙ্গ ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে। #AIMMS pic.twitter.com/5ZHNgUGjPO
— Shantanu Thakur (@Shantanu_bjp) August 4, 2025
উল্লেখ্য, উদ্বাস্তু হিন্দুদের আতঙ্ক কাটাতে ‘সিএএ সহযোগিতা শিবির’ চালু করেছে বিজেপি। এর মাধ্যমে সিএএ-তে আবেদন করতে অমুসলিমদের যাতে কোনো সমস্যা না সেজন্য সাহায্য করবে গেরুয়া শিবির। উদ্বাস্তুপ্রধান এলাকায় এই ক্যাম্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দুদের সিএএ-তে আবেদন করে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের আগে ধর্মীয় কারণে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সহ নির্যাতিত অমুসলিমদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেবে।


