বাংলাদেশি হিন্দুদের দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেওয়ার আবেদন
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা নতুন নয়। পরিসংখ্যান বলছে ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে হিন্দু ছিল প্রায় ২৮ শতাংশ। বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৯৫ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি সংখ্যালঘু হিন্দুদের দীর্ঘমেয়াদি ভারতীয় ভিসা দেওয়ার দাবি জানালেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সংগঠনের নেতা বাপ্পাদিত্য বসু।
তিনি বলেন, “ভারত সরকারের কাছে আমার আবেদন, অনেক বাংলাদেশী হিন্দু ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের অনেকের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। অনেকের কোনো স্ট্যাটাস নেই। তাহলে তাঁরা শরণার্থী স্ট্যাটাসে আছে নাকি কিভাবে আছে আমাদের জানা নেই। তাঁদের কোনো বৈধতা নেই। এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের কাছে আমরা দীর্ঘমেয়াদি ভিসার আবেদন করছি। বাংলাদেশের বিপদাপন্ন মানুষগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দিয়ে ভারতে বৈধভাবে থাকতে দেওয়ার আবেদন করছি। জীবন বাঁচানোর সুযোগ দেওয়ার আবেদন করছি। অন্ততপক্ষে বর্ডারের ওপারে তাদেরকে ফেলে দিয়ে একটা গণহত্যার মধ্যে যেন ফেলে না দেওয়া হয়।”
উল্লেখ্য, লাগাতার ভারতবিরোধী মন্তব্য এবং বিক্ষোভের মধ্যে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশে ভিসাকেন্দ্র বন্ধ রেখেছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের হিন্দুরা বৈধভাবে ভারতে আসতে পারছেন না।
প্রসঙ্গত, সিএএ আইন অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-র আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান ও পার্সি ধর্মাবলম্বীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। যাতে সাফ বলা হয়েছে, ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভারতে আশ্রয় নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।


