‘ধ্বংসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ব্রিটেন, হয় লড়াই করো নয়তো মরো’, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইস্যুতে ইলন মাস্ক
কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: পৃথিবীর শীর্ষ ধনী তথা প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক (Elon Musk) ব্রিটেনে লাগামহীন অভিবাসন ইস্যু নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শনিবার লন্ডনের অভিবাসন বিরোধী সমাবেশে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন মাস্ক। তিনি বলেন, ‘ব্রিটেন ধ্বংসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে’।
ইলন মাস্ক ইংরেজদের সতর্ক করে বলেন, ‘অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের কারণে যুক্তরাজ্যে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটতে পারে। ব্রিটেনের অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ জনগণের সামনে এখন দুটি বিকল্প রয়েছে – লড়াই করা নয়তো মরো।
এদিনের বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজক ছিলেন অতি-দক্ষিণপন্থী রাজনীতিবিদ টমি রবিনসন। ‘উনাইট দ্য কিংডম’ নামে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রায় দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভকারীরা ইংল্যান্ডের সেন্ট জর্জের লাল-সাদা পতাকা ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় পতাকা ইউনিয়ন জ্যাক হাতে নিয়ে আমাদের দেশ ফিরিয়ে দাও’ স্লোগান দেন। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এই সংঘর্ষে মোট ২৬ জন পুলিশকর্মী আহত হন, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। গ্রেফতার হন ২৫ জন বিক্ষোভকারী।
ইলন মাস্ক সমাবেশে বলেন, ‘বর্তমান লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার সরকার দেশের অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা নীতিতে ব্যর্থ। মাস্ক দাবি করেন, ‘সরকার পরিবর্তন করা ছাড়া ব্রিটেনের ভবিষ্যত গড়বে না’। তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে নতুন ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘৪ বছর অপেক্ষা করার সময় নেই। এখনই লড়াই করতে হবে।’
এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও ইলন মাস্কের বক্তব্য নিয়ে ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।


