Wednesday, January 14, 2026
Latestরাজ্য​

Junior Miss India 2026: জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া খেতাব জিতলেন মালদার মেয়ে প্রিন্সিপ্রিয়া ভৌমিক

কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন মালদার মেয়ে প্রিন্সিপ্রিয়া ভৌমিক। মালদা থেকে জাতীয় মঞ্চ—মাত্র ১৬ বছর বয়সেই অসাধারণ সাফল্য এনে দিল ইংরেজবাজারের গভার্মেন্ট কলোনির বাসিন্দা প্রিন্সিপ্রিয়া ভৌমিক। একাধিক রাজ্যের প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন হলেন প্রিন্সিপ্রিয়া (Principriya Bhowmick)।

প্রিন্সিপ্রিয়া মালদা শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বাবা সুরজিৎ ভৌমিক পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা পূর্ণিমা ভৌমিক গৃহবধূ। ছোটবেলা থেকেই মডেলিং ও গ্রুমিংয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তার। সেই আগ্রহই আজ তাকে জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া খেতাব জয়ী করলো।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Junior Miss India (@juniormissindia)


কয়েক মাস আগে কলকাতায় আয়োজিত রাজ্যস্তরের জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া অডিশনে ১৫–১৬ বছর বয়সী বিভাগে অংশ নিয়ে প্রায় ৭৫০ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে সেলেকশন রাউন্ডে জায়গা করে নেয় প্রিন্সিপ্রিয়া। এরপর রাজস্থানের জয়পুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্তরের ফাইনালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ১৭৫ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা ছিনিয়ে নেয় সে।

প্রতিযোগিতায় ইন্ট্রোডাকশন, কালচার, ট্যালেন্ট ও ওয়াক—এই ৪টি রাউন্ডে বিচার করা হয় প্রতিযোগীদের। সব কটি ধাপেই আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে বিচারকদের মন জয় করে নেয় প্রিন্সিপ্রিয়া। কালচার রাউন্ডে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করতে সে তুলে ধরে নবান্ন উৎসবের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, যা প্রশংসা কুড়িয়েছে বিশেষভাবে।

নিজের সাফল্য নিয়ে প্রিন্সিপ্রিয়া জানায়, “ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল অভিনয় জগতে কিছু করার। বাংলার হয়ে জাতীয় মঞ্চে নিজেকে তুলে ধরতে পেরে খুব গর্ব অনুভব করছি। জুনিয়র মিস ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে মিস ইন্ডিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে চাই।”

মা পূর্ণিমা ভৌমিক জানান, “৭ বছর বয়স থেকেই ও মডেলিং ও অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এমনকি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই এলাকার ছোটদের মডেলিং শেখাত।”

উল্লেখ্য, প্রিন্সিপ্রিয়া ইতিমধ্যেই ‘কালিয়াচক চ্যাপ্টার ২’ নামে একটি বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছে। ভবিষ্যতে চলচ্চিত্র জগতে আরও বড় কাজ করার স্বপ্ন দেখছে মালদার এই কিশোরী। তার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে গোটা মালদা তথা বাংলা জুড়ে।