Friday, January 30, 2026
Latestআন্তর্জাতিকদেশ

Saraswati Puja: ২০২৬ সালে সরস্বতী পুজোয় ভারত ও বাংলাদেশের ২৪টি স্থানে হামলা ও বাধা

কলকাতা ট্রিবিউন ডেস্ক: ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ভারত ও প্রতিবেশী বাংলাদেশে সরস্বতী পুজো ও প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে একের পর এক অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। বিভিন্ন রাজ্য ও অঞ্চলে মোট ২৪টি ঘটনায় পুজো, শোভাযাত্রা, প্রতিমা বিসর্জন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় আচার এবং প্রতিমা নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে। এই ঘটনাগুলির বেশিরভাগেই স্থানীয় স্তরে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, হুমকি কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

কোথায় কোথায় ঘটনা

এই ঘটনাগুলি মূলত ঘটেছে বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অসম, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ওডিশা ও ছত্তিশগড়—এই রাজ্যগুলিতে। পাশাপাশি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ ও সাতক্ষীরা জেলাতেও সরস্বতী প্রতিমা ভাঙচুর ও অপমানের অভিযোগ উঠেছে।

বিসর্জন ও শোভাযাত্রায় হামলা: বিহারের বৈশালী, দরভাঙ্গা; ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা, হাজারিবাগে শোভাযাত্রার সময় পাথর ছোড়া, মারধর ও সংঘর্ষের অভিযোগ। কোথাও গান বাজানো বা শোভাযাত্রার পথ ঘিরে বিতর্ক থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়।

প্রতিমা ভাঙচুর ও ঝামেলা: অসমের ডিব্রুগড়, পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া ও পূর্ব মেদিনীপুর, বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ ও সাতক্ষীরায় সরস্বতী প্রতিমা ভাঙচুর বা ঝামেলা করার ঘটনা সামনে আসে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুজো নিয়ে বাধা: বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার একাধিক স্কুলে সরস্বতী পুজোর অনুমতি না দেওয়া বা হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলের অভিযোগ ওঠে। কোথাও সংখ্যাগরিষ্ঠতার যুক্তিতে পুজো বন্ধ রাখা হয় বলে দাবি।

রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও হুমকি: দক্ষিণ কলকাতা, কামারহাটি ও কোচবিহারে রাজনৈতিক নেতাদের হুমকি, দলীয় কোন্দল বা মন্দির তালাবন্ধ করার অভিযোগ সামনে এসেছে।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর চাপ: গোপালগঞ্জ ও সাতক্ষীরায় প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে সিসিটিভি খুলে নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

প্রশাসনের ভূমিকা

বেশিরভাগ ঘটনায় পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। কোথাও এফআইআর দায়ের, কোথাও তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েকটি ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুজো বন্ধ রাখা ও মন্দির তালাবন্ধের ক্ষেত্রে।

তথ্যসূত্র: OP India