Monday, July 22, 2024
দেশ

রাম মন্দির নির্মাণে কেন্দ্রীয় সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিল ভিএইচপি

নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ ইস্যু। শুক্রবার দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি বৈঠকে বসে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য সংসদে বিল আনুক কেন্দ্রের মোদী সরকার। বিল পাশ নিয়ে সংশয় থাকলে জারি করা হোক অর্ডিন্যান্স। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে একটি স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা।

সংগঠনের তরফে বলা হয়, কেন্দ্র যদি তাঁদের দাবি না মানে এবং কবে থেকে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে, তা না জানায়, তাহলে তাঁদের আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হবে। বৈঠক শেষে প্রাক্তন সাংসদ রাম বিলাস বেদান্তি বলেন, সরকারের উচিৎ বিল পাশ করে রামমন্দির নির্মাণ করা। বিল পাশ নিয়ে সংশয় থাকলে শীতকালীন অধিবেশনে অর্ডিন্যান্স জারি করা হোক।

বেশ কিছুদিন ধরেই মন্দির নির্মাণের জন্য চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএসও। ১ অক্টোবর তিনি বলেছিলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও ভারতীয় জনতা পার্টি অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু বিশেষ কিছু কারণে সেই প্রতিশ্রুতি পালন করতে সময় লাগছে। আরএসএস প্রধান বলেন, বিরোধিরাও খোলাখুলি রামমন্দির নির্মাণের দাবির বিরোধিতা করতে পারছে না। কারণ দেশের একটা বড় অংশের মানুষের কাছে পুজিত হত রাম। ভাগবতের কথায়, হিন্দু-‌মুসলিম বিভেদ দূর করতে হলে রাম মন্দির নির্মাণ করা উচিৎ।

অযোধ্যা রাম জন্মভূমি ন্যাসের অধ্যক্ষ রামবিলাস বেদান্তি বলেন, ১৫২৮ সালে বাবর আচমকা রাম মন্দির ধ্বংস করে মসজিদ তৈরি করেছিলেন। ১৯৯২ সালে আচমকা বাবরি মসজিদ ভাঙা হয়েছিল। তেমনই লোকসভা নির্বাচনের আগে আচমকাই রাম মন্দির নির্মাণ শুরু হয়ে যাবে।

শিবসেনার তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা সর্বোচ্চ আদালতের রায় মানবে না। দীপাবলির পর রাম মন্দির নির্মাণ শুরু করবে। দলের নেতা সঞ্জয় রাউতের কথায়, অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার সময় আদালতের অনুমতি নেওয়া হয়নি। তা হলে এখন রাম মন্দির তৈরির জন্য আদালতের নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করব কেন!‌ ‌দীপাবলির পর কয়েক লক্ষ শিবসৈনিক রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু করবে বলে জানিয়ে মোদিকে তাঁর উপদেশ, শীতকালীন অধিবেশনে রাম মন্দির নিয়ে বিল আনু‌ন।