Friday, July 19, 2024
জীবনযাপন

‘৬৭’ তে নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর সংগ্রামের ইতিহাস

এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় সংগ্রাম, জীবন সংগ্রাম। আর সেই সংগ্রাম যদি এমন হয় যে এক সাধারণ নিম্ন মধ্যবিত্ত ছেলে থেকে প্রধানমন্ত্রী ,তবে নিশ্চয়ই তা নিদর্শন হয়ে থাকে। যা সকলকে প্রেরণা দেয়। আজ নরেন্দ্র মোদীর ৬৭তম জন্মদিন, তাঁর কিছু কর্মকান্ডের কাহিনী আপনাদের জন্য। মোদী একজন শাকাহারী, অন্তর্মুখী এবং কর্মযোগী পুরুষ। তিনি গুজরাটী ভাষায় কবিতা লিখতে ভালোবাসেন। বক্তা হিসেবে তিনি একজন শ্রোতা টানতে সমর্থ বলে পরিচিত। সংবাদমাধ্যম তাঁকে একজন বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করলেও ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম ও’নীলের মতে তিনি অর্থনীতিতে পারঙ্গম যা দেশের নেতা হিসেবে একটি বড় গুণ।

২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ক্রিষ্টোফার উড মতপ্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়া ভারতের স্টক মার্কেটের উত্থানের সবচেয়ে বড় আশা। ছোট বেলায় স্বামী বিবেকানন্দের জীবন তাঁকে বিশেষ ভাবে অনুপ্রাণিত করে। আট বছর বয়সে মোদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের স্থানীয় শাখায় তাঁর রাজনৈতিক গুরু লক্ষ্মণরাও ইনামদার নামক এক সাংগঠনিক কর্মীর সংস্পর্শে আসেন। ইনামদার তাঁকে সঙ্ঘের বালস্বয়ংসেবক হিসেবে দলে নেন। এই সময় তিনি জন সংঘের নেতা বসন্ত গজেন্দ্রগড়কর ও নথালাল জঘদার সংস্পর্শে আসেন।

২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত কিশোর মাকওয়ানা রচিত কমন ম্যান নরেন্দ্র মোদী গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে সতেরো বছর বয়সে ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি রাজকোট শহরে অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশন ও তারপর বেলুড় মঠ যাত্রা করেন। এরপর তিনি আলমোড়া শহরে স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত আশ্রমে যোগ দেন। দুই বছর পরে তিনি বাড়ি ফিরে এসে আমেদাবাদশহরে নিজের কাকার চায়ের দোকানে যোগ দেন। এই সময় তিনি পুনরায় লক্ষ্মণরাও ইনামদারের সংস্পর্শে আসেন। এরপর তিনি গুজরাট রাজ্য মার্গ বাহন ব্যবহার নিগমেরক্যান্টিনের কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন, যত দিন না তিনি ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের একজন পূর্ণসময়ের প্রচারক হিসেবে যোগ দেন। এই সময় তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দূরশিক্ষার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক এবং গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তারপর তার ইতিহাস আমরা সবাই জানি।